বরিশাল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০২ পিএম

বিশ্বে সরকারি ঋণের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম। সবচেয়ে বেশি ঋণ যুক্তরাষ্ট্রের।
আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশের মোট ঋণ এখন ২০৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। এটি দেশের জিডিপির ৪০ শতাংশ। ২০১০ সালে ঋণ ছিল ৪০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। গত দেড় দশকে তা বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের ঋণ-জিডিপি অনুপাত অবশ্য এখনো কম।
শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ
যুক্তরাষ্ট্র: ৪১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ১২৭ শতাংশ
চীন: ২২ দশমিক ৫০ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ১০৪ শতাংশ
জাপান: ৮ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ১৯৯ শতাংশ
যুক্তরাজ্য: ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ১০২ শতাংশ
ফ্রান্স: ৪ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ১১৮ শতাংশ
ইতালি: ৩ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ১৩৮ শতাংশ
জার্মানি: ৩ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ৬৫ শতাংশ
ভারত: ৩ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ৮৩ শতাংশ
বিশ্বজুড়ে ঋণের চাপ
ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সের (আইআইএফ) তথ্য অনুযায়ী, জুনের শেষে বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই ঋণ বেড়েছে ১০ ট্রিলিয়ন ডলার। মাথাপিছু হিসাবে প্রতিজন মানুষের ওপর ঋণের বোঝা প্রায় ৪৪ হাজার ডলার।
গত এক বছরে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো সরকারি বন্ডের সুদে ৩ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে। এটি বিশ্বের সামরিক ব্যয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের ব্যয় ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতের ব্যয়ের চেয়েও বেশি।
ফ্রান্সে বাড়তি সুদের চাপ
ফ্রান্সকে এখন ১০ বছর মেয়াদি ঋণে প্রায় পাঁচ শতাংশ সুদ দিতে হচ্ছে। জার্মানির ক্ষেত্রে এই হার ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। ফ্রান্সের ঋণ নেওয়ার খরচ ২০০২ সালের পর সর্বোচ্চ। আইএমএফের পূর্বাভাস, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির ঋণ জিডিপির ১২১ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
সুদ মেটাতে বেশি অর্থ গেলে স্কুল, হাসপাতাল ও পেনশনের বরাদ্দ কমে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগও এমনই। সরকারের ঋণের খরচ বাড়লে সাধারণ মানুষের গৃহঋণ ও ক্রেডিট কার্ডের সুদও বাড়তে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন